নির্ধারিত ২৫৬ স্থানে পশু কোরবানি করা যাবে

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে পশু কোরবানির জন্য লাকায় ২৫৬ টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিএনসিসির মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম নগরবাসীকে এ সকল স্থানে পশু কোরবানি দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই ডিএনসিসি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আজ এক অনলাইন সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

মেয়র আতিকুল ইসলাম উক্ত সভায় কোরবানি পশুর হাট এবং কোরবানি পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, করনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নের জন্য করা হবে জোরদার মনিটরিং। ইতিমধ্যে ডিএনসিসির ১০ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সমন্বয়ে মনিটরিং কমিটি করা হয়েছে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম আরো বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করে দুর্গন্ধহীন সুন্দর শহর উপহার দেয়াই হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। এজন্যই সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই সুন্দর কোরবানির পশুর হাট এবং একটি সুন্দর শহর।

উল্লেখ্য, কোরবানি ঈদে প্রায় ১০ হাজার টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ২৪ ঘন্টার মধ্যেই এ সকল বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

হালাল উপায়ে পশু কোরবানি করার জন্য ডিএনসিসির পক্ষ থেকে ২৫০ জন ইমাম সাথে ২৫০ জন মাংস প্রস্তুতকারীকেও প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বর্জ্য অপসারণের জন্য হালকা ও ভারী মোট ৪৩০টি মত যানবাহন ইতোমধ্যেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিশেষভাবে ১১টি পানির গাড়ির মাধ্যমে স্যাভলন এবং ব্লিচিং পাউডার মিশ্রিত পানি ছিটিয়ে কোরবানির স্থান দূষণমুক্ত করা হবে।

পরিবেশ রক্ষা ও দূষণমুক্ত রাখার জন্য প্রায় ৫১ টন ব্লিচিং পাউডার এবং ৫ লিটার ধারণ-ক্ষমতা সম্পন্ন ৯৬০ ক্যানে করে তরল জীবাণু-নাশক ছিটানো হবে।

এছাড়া পরিবেশ সম্মত-ভাবে বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য ডিএনসিসির থেকে প্রায় ৬লক্ষ বিশেষ ধরনের ব্যাগও বিতরণ করা শুরু হয়েছে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা -মোঃ আবদুল হাই, সচিব -রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান ব্যবস্থাপনা (বর্জ্য) কর্মকর্তা -কমোডর এম. সাইদুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা -ব্রি. জেনারেল মমিনুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী -আমিনুল ইসলাম সহ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ।

-নিউজ ডেস্ক / খলিফা নিউজ